
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি এবং বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক অভিযোগ তুলে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর, রবিবার ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে কর্মসূচির পোস্টার প্রচার করা হচ্ছে।
প্রচারিত পোস্টারে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক রায়কে তারা প্রত্যাখ্যান করছে। বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘অবৈধ’, ‘প্রহসনের বিচার’ ও ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো কর্মসূচির আয়োজক ও সমর্থকদের রাজনৈতিক বক্তব্য।
একই পোস্টারে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট, শিল্পকারখানার পরিস্থিতি, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্য, কৃষকের সার সংকট, নারী ও শিশু নির্যাতন, চাঁদাবাজি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে পোস্টারে উল্লিখিত এসব অভিযোগ ও সংখ্যাগত দাবির অনেকগুলোর পক্ষে নির্দিষ্ট উৎস দেওয়া হয়নি, তাই সেগুলোকে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
এর আগেও আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার নজির রয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে এমন একটি কর্মসূচির আগে রাজধানীর প্রবেশপথে তল্লাশি ও নিরাপত্তা জোরদার করেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নতুন করে ২০ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সরকারের পক্ষ থেকে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কর্মসূচির দিন রাজধানীর যান চলাচল ও জনজীবনে কী প্রভাব পড়ে, সেদিকেও নজর থাকবে।